প্রযুক্তির খবরসেরা ১০

মোবাইলের জন্যে সেরা ৯টি ফ্রি স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপ

এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্যে সেরা ৯টি ফ্রি স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপ গুলোর তালিকা নিয়ে আজকের আর্টিকেলের আমরা আলোচনা করতে চলেছি। (Download best free screen recorder apps for android mobile). 

আমাদের সবার স্মার্টফোনের স্ক্রিনেই নানান মজার জিনিস ঘটে থাকে।

আপনি হয়তো আপনার মোবাইলে মজার কোনো ইউটিউব ভিডিও, গেমিং কিংবা আপনার ফেসবুক ফিড স্ক্রলিং, সমস্তটাই রেকর্ড করে কারুর সাথে শেয়ার করতে চাইছেন।

তবে, এই সবের জন্যেই আমাদের প্রয়োজন একটা ভালো স্ক্রিন-রেকর্ডিং অ্যাপের।

গুগল প্লে স্টোর, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্ক্রিন রেকর্ড করার ক্ষেত্রে আমাদের নানান অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড ও ইনস্টল করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

সুতরাং, আপনি যদি স্মার্টফোনের জন্য একটা স্ক্রিন রেকর্ডিং অ্যাপ্লিকেশন খুঁজে থাকেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণভাবে আপনার জন্যেই।

কারণ, এখান থেকে আপনি জানতে চলেছেন, আপনার মোবাইলের জন্যে সেরা ৯টি ফ্রি স্ক্রিন রেকর্ডিং অ্যাপ সম্পর্কে

সেরা ৯টি অ্যান্ড্রয়েড স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপ:

এখান থেকে আপনি খোঁজ পেয়ে যাবেন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জন্যে বিনামূল্যের সেরা Mobile Screen Recorder Apps গুলোর ব্যাপারে।

এই অ্যাপগুলো আপনাকে স্বাধীনভাবে ফ্রেম রেট ও অডিও সোর্স নির্বাচন করতে দেয়, তা মাইক্রোফোন হোক কিংবা ইন্টারনাল অডিওই হোক না কেন।

চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কয়েকটি সেরা screen recording apps সম্বন্ধে –

১. Loom

Loom হল অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য একটা সেরা স্ক্রিন-রেকর্ডিং অ্যাপ।

এটা আপনাকে ডিভাইসের স্ক্রিন রেকর্ডিং করে দ্রুত শেয়ার করারও সুযোগ দেয়।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে স্ক্রীনের পাশাপাশি ক্যামেরা রেকর্ড করতেও সাহায্য করে।

এছাড়াও, একটা সাধারণ ক্লিকেবল লিঙ্কের মাধ্যমে আপনি রেকর্ডিং গুলোকে শেয়ারও করতে পারবেন।

আপনি যদি কোনো ধরণের টিউটোরিয়াল বানাতে চান, কোনো রিভিউ শেয়ার করতে চান কিংবা কোনো প্রোজেক্টে আপনার টিমকে সহযোগিতা করতে চান,

তবে এই অ্যাপটিতে এমন অনেকগুলো দরকারী ফিচার রয়েছে, যা আপনাকে যেকোনো ধরণের রেকর্ডিং করতে সাহায্য করে।

সুবিধা-

  • ভিডিওর পাসওয়ার্ড প্রোটেকশন রয়েছে।
  • ক্লাউডে অটোমেটিক্যালি ভিডিও স্টোর হয়।
  • একাধিক অ্যাপ ইন্টিগ্রেশন আছে, যাতে ইউসাররা ঝামেলামুক্তভাবে ক্রস-প্ল্যাটফর্ম এক্সপেরিয়েন্স পায়।

অসুবিধা-

  • ট্রান্সক্রিপশন ফিচারটির উন্নতির প্রয়োজন।
  • স্ক্রীন রেকর্ডিং এডিট করা গেলেও, স্ক্রিনশটগুলোর এডিটিং ফিচার নেই৷

২. DU Recorder

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য সম্ভবত সেরা স্ক্রিন রেকর্ডার হল এই DU Recorder।

এখানে কোনও লিমিটেশন নেই, এমনকি এই বিনামূল্যের বিজ্ঞাপন-ছাড়া অ্যাপটি বর্তমানে সবচেয়ে উন্নত ভিডিও রেকর্ডিং ফিচারগুলো দিয়ে থাকে।

আপনি কোনো রেকর্ডিং লিমিটেশন ছাড়াই ৬০FPS-এ ১০৮০p পর্যন্ত HD রেসল্যুশনে স্ক্রিন রেকর্ড করতে পারবেন।

এমনকি, এখানের রেজোলিউশন, বিটরেট ও ফ্রেমরেটও যথেষ্ট পরিমাণে কাস্টমাইজ করা যায়।

এর অন্যান্য রেকর্ডিং ফিচারের মধ্যে রয়েছে ফেসক্যাম, পজ/রিজিউম, এক্সটার্নাল সাউন্ড রেকর্ডার, শেক টু স্টপ, ট্যাপ ট্র্যাকিং, বিল্ট-ইন GIF মেকার ও ইত্যাদি।

স্ক্রিন রেকর্ডিং ছাড়াও, এখানে আপনি একটা কাস্টমাইজেবল ভিডিও এডিটর, স্ক্রিনশট টুল ও ফটো এডিটর পেয়ে যাবেন।

সুবিধা –

  • সম্পূর্ণ রূপে বিনামূল্যের অ্যাপ।
  • ইনবিল্ট ভিডিও ও ফটো এডিটর।
  • অত্যন্ত ইউসার-ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস।
  • লিমিটেশন-ফ্রি কাস্টমাইজেবল ভিডিও রেকর্ডিং।

অসুবিধা –

  • ভিডিও রেকর্ড করার সময়ে HD ভিডিও কম্প্রেস করার কম্প্রেসর নেই।

৩. Mobizen Screen Recorder

Mobizen Screen Recorder হল আরেকটা ভরসাযোগ্য অ্যান্ড্রয়েড স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপ।

যেটা আপনাকে ৬০FPS পর্যন্ত ফ্রেম রেটে ১০৮০p HD রেসল্যুশনে স্ক্রিন রেকর্ড করতে দেয়।

আপনি এর ফেসক্যাম ফিচারটি ব্যবহার করে আপনার ফোন ও মুখ উভয়েরই ভিডিও ও অডিও রেকর্ড করতে পারেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি প্রফেশনাল ভিডিও মেকারদের জন্য কাস্টম ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ করার ও ভিডিওর ইন্ট্রো ও এন্ডিং তৈরি করার অপশন দেয়।

আর, এই স্ক্রিন-রেকর্ডিং অ্যাপেও একটা ইনবিল্ট ভিডিও এডিটর রয়েছে।

তাই, আপনি পছন্দতমতো ভিডিও ট্রিমিং, স্টিচিং, স্পীডিং আপ ও রোটেটিং-এর মতো সোজা এডিটিংয়ের কাজগুলো করে নিতে পারেন।

যদিও, মোবিজেন তার সমস্ত রেকর্ড করা ভিডিওতে ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে।

তবে, এর ডেডিকেটেড “ক্লিন রেকর্ডিং মোড”-এ আপনি ওয়াটারমার্ক ছাড়াই ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন।

সুবিধা – 

  • ইনবিল্ট ভিডিও এডিটর রয়েছে।
  • রেকর্ড করার সময় পজ/রিজিউম অপশন রয়েছে।
  • লিমিটেশন ছাড়াই HD ভিডিও রেকর্ডিং করা যায়।

অসুবিধা –

  • প্রতিটি রেকর্ডিংয়ের পরে আপনাকে বিজ্ঞাপন দেখতেই হবে।

৪. AZ Screen Recorder

AZ Screen Recorder-এর একটা নির্ভরযোগ্য বিনামূল্যের ভার্শন আছে।

এখানে আপনি স্ক্রীন রেকর্ডিংয়ের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিচার পেয়ে যাবেন।

অন্য অ্যাপ্লিকেশনের মতো আপনি এখানেও ৬০FPS-এ ১০৮০p HD ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন।

এমনকি, আপনি এখানে নিজের ইচ্ছেমতো ভিডিও রেসল্যুশন ঠিকও করতে পারবেন।

এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি আপনাকে মাইক অডিও রেকর্ড করতে ও সেইসাথে ফেসক্যাম ফিচারটি ব্যবহার করতেও অনুমতি দেয়।

আপনার রেকর্ড করা সম্পন্ন হলে, ভিডিও গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ করার জন্য একটা টাইমার সেট করতে পারবেন।

যদিও, এর বিনামূল্যের ভার্শনটি যথেষ্ট ভালো, কিন্তু কিছু স্পেশ্যাল কাস্টমাইজেশন ফিচার পেতে আপনাকে এর প্রো ভার্শন কিনতে হবে।

এই বিশেষ ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে- কাউন্টডাউন টাইমার, ফেসক্যাম, ভিডিও ট্রিমিং, ড্র অন স্ক্রিন ও রেকর্ডিং কন্ট্রোলের জন্য ম্যাজিক বাটনগুলো।

আরও পড়ুনঃ মেসেঞ্জার ভ্যানিশ মোড এর ব্যবহার ও সুবিধা

সুবিধা –

  • ফুল HD ভিডিও রেকর্ডিং উপলব্ধ।
  • মাইক অডিও রেকর্ড করার সুযোগ রয়েছে।
  • অসুবিধা –

প্রো ভার্শনে উপলব্ধ ফিচারগুলো অন্যান্য অনুরূপ অ্যাপগুলোতে ফ্রিতেই পাওয়া যায়।

৫. ADV Screen Recorder 

ADV Screen Recorder স্ক্রিন রেকর্ডিং অ্যাপটিতে দুটো মোড রয়েছে, যথা – ডিফল্ট ও অ্যাডভান্সড।

ডিফল্ট মোডে আপনি সিম্পলভাবে রেকর্ডিং করতে পারবেন।

আর, এর অ্যাডভান্সড মোড আপনাকে রেকর্ডিং করার সময় ভিডিও কাস্টমাইজ করার অনুমতি দেয়।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনার ভিডিওগুলোকে পজ করতে দেয়, রেকর্ডিংয়ের সময় ড্র করতে দেয় ও সময় ফ্রন্ট ও ব্যাক ক্যামেরা ব্যবহার করতে দেয়।

ইন্সট্রাকশন দেওয়ার জন্যে আপনি ভিডিওতে টেক্সটও যোগ করতে পারবেন।

এছাড়াও, এখানে একটা কাস্টম ওয়াটারমার্ক তৈরি করার ও ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস তৈরীর জন্য আপনার ভিডিওগুলোতে ওয়াটারমার্ক অ্যাড করার টুল রয়েছে।

সুবিধা –

  • কাস্টম লোগো তৈরি করে ভিডিওগুলোতে পেস্ট করা যায়।
  • ফেসক্যাম ফিচারের ক্ষেত্রে ফ্রন্ট ও রিয়ার উভয় ক্যামেরাই ব্যবহার করা যায়।
  • সহজে ভিডিও রেকর্ড করার জন্য নতুন ও প্রফেশনাল ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা ডেডিকেটেড ও অ্যাডভান্সড মোড আছে।

অসুবিধা –

  • বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এডিটিং ফিচারের অভাব রয়েছে।
  • আপনাকে এখানে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের পর বিজ্ঞাপন দেখতেই হবে।

৬. Game Screen Recorder

কোনো ধরণের বিজ্ঞাপন কিংবা ইন-অ্যাপ পারচেজ না করেই আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যভাবে Game Screen Recorder অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।

এই অ্যাপে গেম সনাক্ত করতে ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ডিং করতে একটা ইনবিল্ট ফিচার রয়েছে।

আর, এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে ভিডিওর কোনো ইন্ট্রোডাকশন তৈরি করতে ও ভিডিওর শুরুতে তা যোগ করার জন্যও টুলস দেয়।

আপনি ভিডিও রেকর্ড করার সময় পজ ও রিজিউমও করতে পারেন।

এছাড়াও, এখানে ভিডিও কোয়ালিটি অ্যাডজাস্টও করা সম্ভব।

তবে, গেম স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপটি ভিডিও রেকর্ড করার সময় ভিডিওর মধ্যে ‘record’ বাটনটি দেখায়।

যদিও, আপনি এটাকে ডিসেবল করতে পারেন কিংবা ওই জায়গাতে কোনো কাস্টম ছবি দিয়ে এটাকে কাস্টমাইজ করতে পারেন।

সুবিধা-

  • সম্পূর্ণ বিনামূল্যের একটা অ্যাপ।
  • অটোমেটিক্যালি গেম সনাক্ত করে।
  • ভিডিওতে আলাদাভাবে ইন্ট্রোডাকশন দেওয়া যায়।

অসুবিধা-

  • এখানে কোনো ভিডিও এডিটর নেই।
  • রেকর্ড করা ভিডিওগুলোতে ‘record’ বাটন দেখা যায়।

৭. Super Screen Recorder

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জন্য একটা অত্যন্ত প্রভাবশালী অ্যাড-সাপোর্টেড স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপ্লিকেশন হল এই Super Screen Recorder

এটা আপনাকে অত্যন্ত কাস্টমাইজেবল ও অ্যাডভান্সড ফিচার অফার করে।

এখানে আপনি ফেসক্যাম ও মাইক অডিও রেকর্ডিংযুক্ত ৬০FPS-এ ১০৮০p পর্যন্ত রেসল্যুশনের HD ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের সেরা ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি

এছাড়াও, এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি নিজস্ব Gif তৈরিও করতে পারেন।

এখানে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ড অডিও যোগ করা, কাস্টম ওয়াটারমার্ক যোগ করা, ভিডিওতে ড্র করা, ও ট্যাপগুলোকে ট্র্যাক করার মতো কাজও সহজেই করা যায়।

ভিডিও রেকর্ডিং থামাতে আপনি আপনার ফোনকে একবার শেক করলেই চলবে।

সুপার স্ক্রিন রেকর্ডারে একটা ভালো ভিডিও এডিটরও রয়েছে।

ফলে, আপনি ভিডিওগুলোকে সহজেই শেয়ার করার জন্যে কম্প্রেস করতে পারবেন।

আপনি যদি রেকর্ডিংয়ের সময় স্ক্রিনশট নিতে চান, তাহলে এখানে স্ক্রিনশট নেওয়ার ও ফটো এডিট করারও টুল রয়েছে।

সুবিধা –

  • ইনবিল্ট ভিডিও ও ফটো এডিটর টুল রয়েছে।
  • সহজে ব্যবহার করা সম্ভব ও যথেষ্টই কাস্টমাইজেবল।
  • ফাইলের আকার ছোট করতে ভিডিও কম্প্রেস করা যায়।

অসুবিধা-

  • প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখতে হয়।

৮. Screen Recorder V 

Screen Recorder V অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়।

এই অ্যাপটি আপনাকে ২৪০p থেকে 2K পর্যন্ত রেসল্যুশনে, ২Mbps থেকে ১৫ Mbps পর্যন্ত বিট রেটে ও ২৪FPS থেকে ৬০FPS ফ্রেম রেট পর্যন্ত স্ক্রীন রেকর্ড করতে দেয়।

তবে, এক্ষেত্রে ১০৮০p ও 2K-এ স্ক্রিন রেকর্ডিং কেবলমাত্র পেইড ইউসারদের জন্যই উপলব্ধ আছে।

অ্যাপটিতে আপনি টাচ জেসচার ব্যবহার করতে পারেন।

এমনকি, এটি আপনাকে স্ক্রিন রেকর্ডিং শুরু করার আগে ৩ সেকেন্ডের একটা কাউন্টডাউনও যোগ করতে দেয়।

এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের স্ক্রিন রেকর্ডিংগুলোতে কোনো ওয়াটারমার্ক থাকে না।

তাই, আপনি নিশ্চিন্তে ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন।

সুবিধা –

  • ভিডিওতে কোনো ওয়াটারমার্ক আসে না।
  • আলাদা করে লোগো ভিডিওতে লাগানো যায়।
  • ভিডিও শুরুর আগে ৩ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন টাইমার আছে।

অসুবিধা-

১০৮০p ও 2K রেকর্ডিং শুধুমাত্র পেইড ভার্শনে উপলব্ধ।

৯. Vidma Screen Recorder

Vidma Screen Recorder আপনাকে বিনামূল্যে অনেক অ্যাডভান্সড অপশনস দিয়ে থাকে।

এই স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপটির বিনামূল্যের ভার্শনে আপনি সহজেই ১০৮০p পর্যন্ত কাস্টম রেজোলিউশন, কাস্টম বিট রেট ও ১০ সেকেন্ডের একটা প্রিসেট কাউন্টডাউন টাইমার পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও, এই অ্যাপ্লিকেশনে আপনি ইন্টারনাল মাইক্রোফোন ও অডিও উভয়ই ভিডিও রেকর্ডিংয়ে যুক্ত করার অফার পাবেন।

উপরন্তু, আপনি অ্যাডভান্সড ফিচারগুলোরও অ্যাক্সেস পেতে পারবেন।

যথা- রেকর্ডিং বন্ধ করতে আপনার ফোন শেক করা, অনগোয়িং নোটিফিকেশন হাইডিং, কাস্টমাইজড টাইমার, প্রিসেট, শোয়িং টাচেস ও ইত্যাদি।

আর, এই আপনি অ্যাপটি সহজেই ইন্সটল করতে পারবেন।

এমনকি, কাস্টমাইজ না করেই এখানে স্ক্রীন রেকর্ড করা চালু করতে পারবেন।

সুবিধা –

  • বিনামূল্যে প্রচুর অ্যাডভান্সড ফিচার আছে।
  • কাস্টোমাইজেশন ছাড়াও রেকর্ডিং শুরু করা যায়।
  • কাস্টম বিট রেট, রেসল্যুশন ও টাইমারের সুবিধা আছে।

অসুবিধা –

  • অনেকগুলো ভালো ফিচার দাম দিয়ে কিনতে হতে পারে।

আমাদের শেষ কথা,,

আমাদের আজকের মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ডিং অ্যাপ (Best Android Mobile Screen Recorder Apps) গুলো নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।

লেখাটি পছন্দ হলে অবশ্যই তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!