ই-সেবা

নিজেই নিজের জাতীয় ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন

প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য জাতীয় ভোটার আইডি কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন নাগরিকের ভোটার আইডি না থাকলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজকাল প্রায় সব কাজেই ভোটার আইডি বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।

একজন নাগরিক কোন দেশের নাগরিক তা বোঝা যায় ভোটার আইডির মাধ্যমে।অফিশিয়াল যেকোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি অত্যাবশ্যকীয়।

আজকের এই পোস্টে জাতীয় ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।তাই আমি মনে করি পোষ্টটি আপনাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হবে।

Contents hide

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র

বর্তমানে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে নাগরিক তার জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। অনেক সময় অনেক কাজে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বারটি প্রয়োজন হয়।

কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র কাছে না থাকার কারণে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার  দেওয়া সম্ভব হয় না।সে ক্ষেত্রে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বারের মাধ্যমে কিছু প্রক্রিয়া অবলম্বন করে সহজেই জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য বের করা যায়।প্রথমে *১৬০০*২#  ডায়াল করলেই রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট হয়ে যাবে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে জাতীয় পরিচয় পত্রের সঠিক নাম্বারটি। এভাবে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য বের করা যায়। এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা অনেক কিছু জানতে পারবেন।তাই মনে করি পোষ্টটি আপনাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আইডি নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড বের করা

বর্তমানে ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যায়।তার জন্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।প্রথমে এই (http://services.nidw.gov.bd) ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

অতঃপর আপনার এনআইডি নাম্বার টি ক্লিক করে রেজিস্ট্রার অপশন  এ লগইন করতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সব তথ্য পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়েও ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। আইডি নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আইডি কার্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।আশা করি পোস্টটি পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিভাবে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়

অনেক সময় আমাদের ফোনে অজানা নাম্বার থেকে ফোন আসে। যার ফলে অনেক সময় বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। নাম ঠিকানা বের করা জরুরী হয়ে পড়ে। এ সকল সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে।

মোবাইল এর মাধ্যমে  খুব সহজেই কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা সহজ হয়ে গেছে।অ্যাপসের মাধ্যমে কাজটি করা যায়। ট্রুকলার অ্যাপস নামে অ্যাপস আছে যার মাধ্যমে খুব সহজে মোবাইল নাম্বার দিয়ে ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়।ট্রুকলার যাত্রা শুরু করে প্রায় এখন থেকে প্রায় ১১  বছর আগে।

এই অ্যাপস এর হেড অফিস হচ্ছে সুইডেনে অবস্থিত। ট্রুকলার এর ফ্রি এবং পেইড দুটি ভার্সনই রয়েছে। এছাড়াও নিকটস্থ পুলিশের কাছে গেলেও মোবাইল নাম্বারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা করা যায়।

জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করুন নিজের

বর্তমানে মোবাইল অথবা কম্পিউটার মাধ্যমেই নিজের ভোটার আইডি নিজেই তৈরি করা যায়। প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হয়।অতঃপর তারা একটি ফরম প্রদান করে যা সতর্কতার সাথে ফিলাপ করতে হয়।

নিজের নাম বাদে বাকি সবগুলো তথ্য বাংলায় ইউনিকোড এ পূরণ করতে হয়।সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা শেষ হলে প্রিভিউ অপশনে ক্লিক করতে হয়।পুনরায় তথ্যগুলো যাচাই করে ফরম টি ডাউনলোড করতে হয়। ডাউনলোড করার পর প্রিন্টারে প্রিন্ট করে নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা প্রদান করতে হয়।

এক কপি নিজের কাছে জমা রাখতে হয়। সব তথ্য যদি সঠিক হয় তবে নির্দিষ্ট তারিখে ভোটার আইডি কার্ড দেয়া হয়ে থাকে। এভাবে নিজের তারা জাতীয় পরিচয় পত্র নিজেই খুব সহজে তৈরি করা যায়।এতে করে সময় অপচয় হয় না এবং কেউ হয়রানির শিকার  হয়না।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায়

কারো যদি আইডি কার্ড হারিয়ে যায় তবে তা পুনরায় অনলাইনে আবেদন করে পাওয়া সম্ভব। কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলেই প্রক্রিয়াটি করা সম্ভব। প্রথমে ব্রাউজার থেকে এই ওয়েবসাইটটিতে (http://services.nidw.gov.bd/) প্রবেশ করতে হবে। অতঃপর ‘রেজিস্ট্রার’ অপশন এ ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করা শেষ হলে ‘রি ইস্যু’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

অপশনে গেলে ‘এডিট’ নামের একটি অপশন দেখা যাবে।সেখানে ক্লিক করতে হবে।অতঃপর বিল পে করতে হবে। যদি আইডি কার্ডটি সাথে সাথে অর্থাৎ আর্জেন্ট তুলতে হয় তবে ৩৪৫ টাকা বিল পে করতে হবে। অন্যথায় ২৩০ টাকা দিতে হবে। অতঃপর কতগুলো অপশন আসবে সেখানে ক্লিক করতে হবে।

যেমন ‘নষ্ট হয়ে গেছে’ এই অপশনটিতে ক্লিক করলে তেমন কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হয় না।কিন্তু ‘হারিয়ে গেছে’ অপশনটিতে ক্লিক করলে জিডির তারিখ এবং জিডি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ওয়েবসাইটে জমা দিতে হয়। এভাবেই খুব সহজে হারানো আইডি কার্ড পাওয়া যায়।

আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই সরাসরি
আপনি যদি আপনার নিজের ভোটার আইডি কার্ড টি সরাসরি দেখতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে নির্বাচন কমিশন অফিস এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.nidw.gov.bd) প্রবেশ করতে হবে।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায়

অতপর ‘লগইন’ অপশন এ ক্লিক করে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন সম্পন্ন করতে হবে।এরপর ‘ডাউনলোড’ অপশন নামের একটি অপশন আসবে।

সেখানে ক্লিক করতে হবে।ক্লিক করার পরে আপনি আপনার নিজের ভোটার আইডি কার্ডটি স্বচক্ষে দেখতে পারবেন। ঘরে বসে খুব সহজে কম সময়ে ভোটার আইডি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়।

হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের অনলাইন আবেদন

কারণবশত ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে তা পুনরায় উত্তোলনের ব্যবস্থা রয়েছে।অনলাইনে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের জন্য অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে (www.nidw.gov.bd) ভিজিট করতে হয়।

তাদের নির্দেশ মোতাবেক কাজগুলো সম্পন্ন করলেই খুব সহজেই অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হয়ে যায়। সাবধানতার সাথে কাজগুলো সম্পন্ন করতে হয়।

আমাদের ওয়েবসাইটে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। তাই আমি মনে করি আজকের পোষ্ট আপনাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

যেকোনো পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড সহজেই ডাউনলোড করা সম্ভব। যে কেউ পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারে কিছু প্রক্রিয়া দ্বারা।

প্রথমে মোবাইলে ডায়াল প্যাড এ গিয়ে ১০৫ তে কল করতে হয়।এভাবে সরাসরি নির্বাচন কমিশন অফিস এর সাথে যোগাযোগ করা যায়।তাদের নির্দেশ মোতাবেক কাজগুলো সম্পন্ন করলে পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড সহজেই ডাউনলোড করা যায়।

এছাড়াও নির্বাচন কমিশন এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.nidw.gov.bd) এ ভিজিট করলে এ সম্পর্কিত অনেক তথ্য বিস্তারিত ভাবে জানা যায়।আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম দেখুন

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন

ভোটার আইডি কার্ড একজন নাগরিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট।ভোটার আইডি কার্ডের মাধ্যমে একজন নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত হয়।অনেক সময় ভোটার আইডিতে নিজের নাম,মাতার নাম,পিতার নাম অথবা ঠিকানায় ভুল থাকে।

সেই ভুল ঠিক করতে গেলে নাগরিককে অনেক সমস্যা পোহাতে হয়। তবে বর্তমানে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়ম শুরু হয়েছে। যে কেউ এখন খুব সহজে ঘরে বসে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারে।

সাবধানতার সাথে কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই সংশোধন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে নাগরিকের সময় বেঁচে যায়। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কত

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে সংশোধন করা সম্ভব হচ্ছে।যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিক্তিক কাজেই  বিল পে অপশনে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা বিল পে করতে হয়।

সাধারনত অনলাইন কার্ড সংশোধনের জন্য ৩৪৬ টাকা বিল প্রদান করতে হয়। এছাড়া আর কোন এক্সট্রা টাকা দিতে হয়না।ওয়েবসাইটিতে বিল অপশন থাকে সেখানে বিল পে করে দিলেই হয়ে যায়।

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন ফরম

ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য সংশোধনের জন্য বাংলাদেশ এনআইডি পোর্টাল ওয়েবসাইটে একটি ফর্ম দেওয়া হয়।

ফর্মে আপনি যা সংশোধন করতে চান তা ফিলাপ করতে হবে। জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য জন্ম তারিখ অপশনে গিয়ে সঠিক জন্ম তারিখ লিখে ফরমটি পূরণ করতে হবে।

সর্বশেষে একটি ফর্ম দেওয়া হবে যা নিজের কাছে রেখে দিতে হবে।সেই ফর্ম এর ভিত্তিতেই সংশোধিত জাতীয় ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হবে।

অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন নিয়ম

জাতীয় পরিচয় পত্র নাগরিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্তমানে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা সম্ভব।আজকের এই পোস্টে প্রক্রিয়াটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনআইডি পোর্টাল ওয়েবসাইটটিতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।অতঃপর একটি ফরম প্রদান করবে।

যে ফরমটি ফিলাপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করতে হবে।পরবর্তী অপশনে ক্লিক করে পরবর্তী কাজগুলো সম্পন্ন  করতে হবে। পরবর্তী কাজ হল বিল পে করা। বিল পে অপশনে গিয়ে ৩৪৫ টাকা বিল প্রদান করতে হবে। বিল প্রদান শেষ হলে আবার পরবর্তি অপশনে ক্লিক করতে হবে। সর্বশেষ অপশনে সব তথ্য চেক করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।

সংশোধন ফরম ডাউনলোড করে নিজের কাছে রেখে দিতে হবে।যখন আইডি কার্ড সংশোধন সম্পন্ন হবে। মোবাইলে একটি মেসেজ এর মাধ্যমে ঠিকানা দেওয়া হবে।সেই ঠিকানায় ফরমটি নিয়ে গেলেই ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হবে।এভাবে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায়।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম ফিলাপ করার পর সাবমিট করতে হয়। সাবমিট করার পর তারা একটি ফরম প্রদান করে যা নিজের কাছে রেখে দিতে হয়।অর্থাৎ এটি হলো সংশোধনের প্রমাণস্বরূপ। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সাধারণত দুই থেকে তিন মাস সময় লাগে।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করার নিয়ম

শুধুমাত্র মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করার কোন সুযোগ নেই। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ জানা থাকলেই এনআইডি সেবার ওয়েবসাইট থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করতে পারবেন।

যদি আপনি জানতে চান যে কারো মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিভাবে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়, আমি বলব এটি সাধারণ জনসাধারণের জন্য অসম্ভব। কারণ ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার কারণেই এ ধরণের কোন সুযোগ নেই।

জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত প্রশ্নসমূহ

আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই, দেখবো কিভাবে?

যদি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন স্লিপ নম্বর থাকে, আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দেখতে পারেন বা ডাউনলোড করতে পারেন।

ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর হারিয়ে গেলে কি করব?

আপনার ভোটার নিবন্ধন ফরম স্লিপ হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র আপনার উপজেলার নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে।

ভোটার নিবন্ধন এর স্লিপ টা হারিয়ে ফেলেছি। স্লিপ টা ছাড়া কি ন্যাশনাল আইডি কার্ড টা তোলা যাবে?

স্লিপ হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র আপনার উপজেলার নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। উপজেলা অফিস থেকেই আপনার ভোটার আইডি নম্বর জানতে পারবেন।

কিভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র করা যায়? আমি কিভাবে নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করব?

আপনার বয়স ১৬ বছরের বেশি হলে, আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড কবে দিবে ২০১৯?

যারা ২০১৯ সালে ভোটার নিবন্ধন করেছিলেন, তাদের ইতোমধ্যে স্মার্ট কার্ড দেয়া হয়েছে। আর যারা এখনো স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পান নি, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে বানাবো?

আপনার বয়স ১৬ বছরের বেশি হলে, অনলাইনে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের ধরণ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তথ্যের প্রমাণস্বরুপ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র প্রয়োজন হবে। যেমন, এসএসসি সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, পিতা-মাতার আইডি কার্ড ইত্যাদি।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কি করব?

প্রথমে নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপি সংযুক্ত করে অনলাইনে রিইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে।

পড়ুনঃ কিভাবে করোনা টিকা সনদ সংগ্রহ করবেন

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কিভাবে উঠানো হয়?

জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে প্রথমে নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে। এরপর জিডি কপি আপলোড করে অনলাইনে রিইস্যুর আবেদন করতে হয়। আবেদন অনুমোদনের পর অনলাইন থেকে প্রিন্ট করার জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিভাবে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়?

ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার কারণে জনসাধারণের জন্য শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর দিয়ে কারো জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম ঠিকানা ও তথ্য বের করার কোন সুযোগ নেই।

জাতীয় পরিচয় পত্র কিভাবে পাওয়া যাবে?

নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়ার পর, যাচাই বাছাই করে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হবে। আবেদন অনুমোদনের পর আপনার মোবাইলে এসএমএস পাবেন এবং আপনি অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড/এনআইডি কার্ড সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং উত্তর।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয় – অনলাইনে এনআইডি রিইস্যু।

১। এনআইডি কার্ডের তথ্যে ভুল থাকলে কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ এনআইডি কার্ডের তথ্য সংশোধনের আবেদন সাধারণত দুই ভাবে করা যায়। প্রথমত আপনার সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ২ নং সংশোধনী ফরম সংগ্রহ করবেন এবং তা পূরণ করে নির্ধারিত ফি জমাদানের রশিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে পিন-আপ করে অফিসে জমা দেয়া যায়। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন দাখিল করা যায়।
২। এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ফি কত টাকা?
উত্তরঃ এনআইডি কার্ড সংশোধনের ফি পূর্ব নির্ধারিত। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ফি প্রযোজ্য নয়। এনআইডি কার্ডের কিছু কিছু তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে ফি ২৩০ টাকা, আবার কিছু তথ্য আছে যেগুলো সংশোনের জন্য ১১৫ টাকা জমা দিতে হবে। এছাড়া একাধিকবার আবেদন করলে ফি ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে।
৩। নতুন ভোটারদের এনআইডি কার্ডের নম্বর কিভাবে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ বর্তমানে নতুন ভোটারদের এনআইডি কার্ডের নম্বর আবেদনে উল্লেখিত মোবাইল নম্বরে এসএমএস এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়েও এনআইডি কার্ডের নম্বর সংগ্রহ করা যায়।
৪। নতুন ভোটাররা কিভাবে দ্রুত এনআইডি কার্ড পেতে পারে?
উত্তরঃ নতুন ভোটাররা এনআইডি নম্বর হাতে পাওয়ার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ডাউনলোড করে নিতে পারবে। এছাড়া নতুন ভোটারদের এনআইডি কার্ড তৈরী হলে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে বিতরণ করা হয়।
 
৫। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বার ভোটার হতে পারবে?
উত্তরঃ বাংলাদেশের একজন নাগরিক সর্বোচ্চ একবারই ভোটার হতে পারবে। একাধিবার ভোটার হলে সশ্রম কারাদন্ড এবং জরিমানা হতে পারে। তাছাড়া একাধিকবার ভোটার হওয়ার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।
৬। নির্বাচন অফিসে না গিয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার কোন উপায় আছে?
উত্তরঃ ইতোপূর্বে নির্বাচন অফিসের ওয়েসবাইট থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটের সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল নম্বর পাওয়া যেত। বর্তমানে ওয়েবসাইট আপডেট করার পর অফিস কর্তৃপক্ষের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার অপশন তুলে দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সুযোগ আবার চালু হতে পারে।
৭। এনআইডি কার্ডের ফিংগার প্রিন্ট (বায়োমেট্রিক) তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এনআইডি কার্ডের ফিংগার প্রিন্ট যদি ম্যাচ না করে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে।
৮। অনলাইনে ভোটার স্থানান্তরের নিয়ম কি?
উত্তরঃ এখন পর্যন্ত ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন অনলাইনে দাখিল করা যায় না। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়েই ১৩ নং স্থানান্তর ফরম পূরণ করে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে।
৯। অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করবো কিভাবে? 
উত্তরঃ নতুন ভোটার হওয়ার পর অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করা বা ডাউনলোড করার উপায় জানতে এখানে ক্লিক করুন।
 
১০। অনলাইন থেকে স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম কি?
উত্তরঃ অনলাইন থেকে স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড করা যায় না। এই প্রশ্নটাই ভুল কারণ, স্মার্ট কার্ডে মেশিন রিডএবল চিপ বসানো থাকে। অনলাইন থেকে নতুন ভোটারদের স্মার্ট আইডি কার্ডের নম্বর সম্বলিত সাময়িক জাতীয় পরিচয়পত্র পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করা যায় যা প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে ব্যবহার করতে হয়। 
 
১১ । স্মার্ট কার্ড চেক করার নিয়ম কি?
উত্তরঃ বর্তমানে মাত্র দুইটি উপায়ে স্মার্ট কার্ড চেক করা যায়। প্রথম উপায় মোবাইল থেকে ম্যাসেজ পাঠিয়ে এবং দ্বিতীয় উপায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে স্মার্ট কার্ড চেক করা যায়।  
 
১২। ভোটার এলাকা পরিবর্তন ফি কত টাকা?
উত্তরঃ ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করতে কোন প্রকার সরকারি ফি জমা দেয়া লাগে না, এটা একদম ফ্রি। 
 
১৩। এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের নিয়ম কি?
উত্তরঃ বর্তমানে অনলাইনে এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন করা যায় না। এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
 
১৪। নতুন ভোটার হতে কত টাকা লাগে?
উত্তরঃ নতুন ভোটার হওয়া প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। নতুন ভোটার হতে এখন পর্যন্ত কোন সরকারি ফি লাগে না। যদি কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী নতুন ভোটার হওয়ার জন্য অর্থের কথা বলে তাহলে বুঝতে হবে তিনি মিথ্য কথা বলছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!