কালী পূজা 2026 তারিখ এবং সময়: নিশীথ পূজার সময় জেনে নিন
কালী পূজা 2026 তারিখ এবং সময় জানতে আগ্রহী ভক্তদের জন্য মূল দিনটি হলো ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার। বাংলাদেশে তাই এই রাতেই শ্যামা পূজা বা কালী পূজার প্রধান আরাধনা হবে। অমাবস্যা তিথি ৮ নভেম্বর সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে শুরু হয়ে ৯ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত থাকার কথা দেওয়া হয়েছে। তবে নিশীথ পূজার সময় নিয়ে পঞ্জিকাভেদে সামান্য পার্থক্য আছে। তাই মন্দির, পুরোহিত বা স্থানীয় পঞ্জিকার সঙ্গে সময় মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
- কালী পূজার দিন: ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার
- অমাবস্যা তিথি শুরু: ৮ নভেম্বর সকাল ১১টা ২৭ মিনিট
- অমাবস্যা তিথি শেষ: ৯ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত
- নিশীথ পূজা: মধ্যরাতের কাছাকাছি, তবে পঞ্জিকা অনুযায়ী সময়ে সামান্য তারতম্য হতে পারে
বাংলা তারিখের ক্ষেত্রেও দেওয়া তথ্যের দুটি সংস্করণ রয়েছে। কোথাও ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং কোথাও ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এই অসামঞ্জস্যের কারণে বাংলা তারিখটি স্থানীয় পঞ্জিকা দেখে নিশ্চিত করা ভালো। ইংরেজি তারিখ ৮ নভেম্বর ২০২৬ এবং বার রবিবার—এই তথ্যটি অবশ্য পরিকল্পনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- ২০২৬ সালের শ্যামা পূজা ৮ নভেম্বর, রবিবার পালিত হবে।
- অমাবস্যা শুরু হবে সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে।
- নিশীথ পূজার সময় নিয়ে ১১টা ৩৯ মিনিট থেকে ১২টা ৩১ মিনিট এবং ১১টা ৫২ মিনিট থেকে ১২টা ৪৪ মিনিট—দুই ধরনের সময় দেওয়া হয়েছে।
- তাই চূড়ান্ত সময়ের জন্য স্থানীয় পঞ্জিকা বা মন্দির কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসরণ করুন।
কালী পূজা 2026 তারিখ এবং সময় কত
২০২৬ সালের কালী পূজা বা শ্যামা পূজা ৮ নভেম্বর, রবিবার অনুষ্ঠিত হবে। পূজার ভিত্তি হলো কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথি। দেওয়া সময়সূচি অনুসারে অমাবস্যা শুরু হবে ৮ নভেম্বর সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে এবং শেষ হবে ৯ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে। ফলে পূজার মূল রাত পড়ছে ৮ নভেম্বর থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে।
কালী পূজা দুর্গাপূজার মতো পাঁচ দিন ধরে চলে না। বরং এর প্রধান আচার এক রাতকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়। অবশ্য প্রতিমা তৈরি, প্যান্ডেল সাজানো, প্রসাদ প্রস্তুত, আলোকসজ্জা এবং বিসর্জনের কাজ কয়েক দিন আগে ও পরে চলতে পারে। বাংলাদেশে ঢাকার শাঁখারীবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা এবং হিন্দু-অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় আয়োজনের পরিধি স্থানভেদে আলাদা হয়।
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে একই রাতে দীপাবলি ও লক্ষ্মীপূজা পালিত হয়। অন্যদিকে বাংলার ঐতিহ্যে সেই অমাবস্যার রাতটি প্রধানত মা কালীর আরাধনার জন্য পরিচিত। তাই একই তারিখ হলেও অঞ্চলভেদে পূজার নাম, আচার এবং সময়সূচিতে পার্থক্য দেখা যেতে পারে।
অমাবস্যা তিথির সময়সূচি
অমাবস্যা তিথি ৮ নভেম্বর সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে শুরু হয়ে ৯ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে শেষ হবে—দেওয়া প্রধান সময়সূচিতে এমনটাই উল্লেখ আছে। কালী পূজার দিন নির্ধারণে এই তিথির অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পূজা সাধারণত কার্তিক অমাবস্যার নিশীথ কালে সম্পন্ন করা হয়।
| বিষয় | তারিখ | সময় |
|---|---|---|
| অমাবস্যা তিথি শুরু | ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার | সকাল ১১টা ২৭ মিনিট |
| অমাবস্যা তিথি শেষ | ৯ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার | দুপুর ১২টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত |
| নিশীথ পূজা | ৮ থেকে ৯ নভেম্বরের রাত | পঞ্জিকাভেদে পরিবর্তনশীল |
তবে সরবরাহ করা সময়সূচির অন্য একটি সংস্করণে অমাবস্যা শেষের নির্দিষ্ট সময় না দিয়ে ৯ নভেম্বর বলা হয়েছে। সেখানে নিশীথ পূজার সময় ৮ নভেম্বর রাত ১১টা ৫২ মিনিট থেকে ৯ নভেম্বর রাত ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। আবার শুরুতে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সময়সূচিতে ১১টা ৩৯ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩১ মিনিটের কথা রয়েছে।
এই পার্থক্যকে ভুল ধরে নেওয়ার আগে পঞ্জিকার অবস্থান, সময় অঞ্চল এবং গণনার পদ্ধতি যাচাই করা দরকার। তাই বাংলাদেশে পূজা হলে স্থানীয় সময় ব্যবহার করুন। কোনো মন্দিরের নির্ঘণ্টে যদি পুরোহিত নির্দিষ্ট সময় দেন, সাধারণ অনলাইন সময়ের বদলে সেই স্থানীয় নির্দেশকে অগ্রাধিকার দেওয়াই বাস্তবসম্মত।
নিশীথ পূজার শুভ সময়
নিশীথ কাল বলতে সাধারণত রাতের সেই সময়কে বোঝায়, যা মধ্যরাতের কাছাকাছি। কালী পূজার প্রধান মন্ত্রপাঠ, অঞ্জলি, নিবেদন এবং আরাধনা তাই এই সময়কে কেন্দ্র করে সম্পন্ন করা হয়। দেওয়া তথ্যের একটি সংস্করণে ৮ নভেম্বর রাত ১১টা ৩৯ মিনিট থেকে ৯ নভেম্বর রাত ১২টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরেকটি সময়সূচিতে নিশীথ পূজার সময় ৮ নভেম্বর রাত ১১টা ৫২ মিনিট থেকে ৯ নভেম্বর রাত ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত বলা হয়েছে। দুই সময়ের মধ্যে প্রায় ১৩ মিনিটের পার্থক্য রয়েছে। ফলে এই ব্যবধান দেখায় যে একই উৎসবের সময় জানার ক্ষেত্রে পঞ্জিকার নাম এবং স্থান উল্লেখ করা কতটা দরকার।
ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের কোনো মন্দিরে পূজা দেখতে গেলে আগে থেকেই জেনে নিন অনুষ্ঠানটি কখন শুরু হবে এবং কখন প্রধান আরাধনা হবে। কারণ প্যান্ডেলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রসাদ বিতরণ এবং ভক্তদের প্রবেশের সময় নিশীথ পূজার সময়ের সঙ্গে এক নাও হতে পারে। তাই শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি বা দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা ভক্তদের জন্য এই পরিকল্পনা বিশেষভাবে উপকারী।
- প্রথমে স্থানীয় পঞ্জিকায় দেওয়া সময় মিলিয়ে নিন।
- এছাড়াও মন্দির কর্তৃপক্ষের নির্ঘণ্ট থাকলে সেটি সংগ্রহ করুন।
- রাতের যাতায়াত হলে তাই ফেরার পরিবহন আগে ঠিক করুন।
- অঞ্জলি ও প্রসাদের সময় নিশীথ পূজার সময় থেকে আলাদা কি না জেনে নিন।
পূজার আচার ও প্রতিমার প্রতীক
কালী পূজার আচার সাধারণত লাল জবা ফুল, মিষ্টি, ধূপ, প্রদীপ এবং অন্যান্য পূজাসামগ্রী নিবেদনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি পুরোহিতরা মন্ত্র ও স্তোত্র পাঠ করেন। অনেক মন্দিরে তান্ত্রিক পদ্ধতির নির্দিষ্ট আচার পালিত হলেও তার ধরন মন্দির, সম্প্রদায় এবং স্থানীয় রীতির ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই দর্শনার্থীদের আয়োজকদের নির্দেশ মেনে চলা উচিত।
দেবী কালীকে শক্তি, জ্ঞান এবং অন্ধকার দূর করার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। প্রচলিত প্রতিমায় তাঁর প্রসারিত জিহ্বা, মুণ্ডমালা এবং শিবের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা রূপ দেখা যায়। পুরাণকথায় অসুরবধের পর দেবীর উগ্র নৃত্য থামাতে শিব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। শিবের ওপর পা পড়ার পর কালী থেমে যান—এই দৃশ্যকে শক্তির সংযম ও আত্মসচেতনতার প্রতীক হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়।
মুণ্ডমালা বা অন্ধকারময় রূপ দেখে অনেকে ভীত হতে পারেন। কিন্তু ভক্তির ধারায় কালী ধ্বংসের পাশাপাশি রক্ষাকারী মাতৃরূপ। তাই ভক্তরা তাঁর কাছে ভয়, বাধা, অশুভ প্রভাব এবং মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তির প্রার্থনা করেন। এই প্রতীকী ব্যাখ্যা কালী পূজাকে শুধু উৎসব নয়, আত্মশক্তি ও ন্যায়ের স্মরণ হিসেবেও তুলে ধরে।
বাংলাদেশে কোথায় কীভাবে উদযাপন
বাংলাদেশের ঢাকায় শাঁখারীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায়, চট্টগ্রাম ও সিলেটের মন্দিরকেন্দ্রিক অঞ্চলে এবং খুলনার বিভিন্ন হিন্দু-অধ্যুষিত এলাকায় কালী পূজা আয়োজন করা হয়। প্যান্ডেলে মাটির প্রতিমা স্থাপন, প্রদীপ জ্বালানো, ফুলের সাজ, প্রসাদ বিতরণ এবং রাতভর ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে স্থানীয় আয়োজনের আকার এলাকার জনসংখ্যা, মন্দিরের সামর্থ্য এবং আয়োজকদের পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল।
প্যান্ডেলে যাওয়ার আগে ভিড়ের সময়, প্রবেশপথ এবং পার্কিং বা যানবাহনের ব্যবস্থা জেনে নিলে অযথা অপেক্ষা কমে। পরিবার নিয়ে গেলে তাই শিশুদের ভিড়ের মধ্যে একা না রাখা, প্রদীপ ও বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখা এবং আতশবাজি ব্যবহারে স্থানীয় নিয়ম মানা জরুরি। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও প্রতিবেশীর স্বস্তিও বিবেচনায় রাখা উচিত।
কালী পূজা মূলত এক রাতকেন্দ্রিক হলেও প্রস্তুতি শুরু হয় আগে। প্রতিমা স্থাপন, মণ্ডপসজ্জা, পূজার সামগ্রী সংগ্রহ এবং প্রসাদ তৈরির কাজ সময়সাপেক্ষ হতে পারে। অন্যদিকে বিসর্জন পরের দিন বা কয়েক দিন পরে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট মন্দিরের কর্মসূচি জানতে শুধু পূজার দিন নয়, বিসর্জনের আলাদা তারিখও জেনে নিন।
সময় নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর উপায়
কালী পূজা 2026 তারিখ এবং সময় খুঁজতে গিয়ে একই উৎসবে একাধিক সময় দেখা অস্বাভাবিক নয়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা, স্থানীয় সময়, পঞ্জিকার পদ্ধতি এবং পূজার ধরন অনুযায়ী নিশীথ মুহূর্তে পার্থক্য হতে পারে। তাই বাংলাদেশের ভক্তদের জন্য ভারতের সময়সূচি সরাসরি ব্যবহার না করে বাংলাদেশে প্রযোজ্য সময় আলাদা করে যাচাই করা উচিত।
দেওয়া তথ্যে নিশীথ পূজার দুটি সময়সীমা এবং বাংলা তারিখের দুটি উল্লেখ রয়েছে। সুতরাং একটি নির্দিষ্ট সময়কে সর্বত্র চূড়ান্ত ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বিশেষ করে বাড়িতে পূজা করলে পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলুন। মন্দিরে গেলে তাদের প্রকাশিত নির্ঘণ্ট অনুসরণ করুন। বাংলা ক্যালেন্ডার প্রো বা বেনীমাধব শীল পঞ্জিকায় বিস্তারিত নির্ঘণ্ট খুঁজে দেখা যেতে পারে, তবে ব্যবহৃত সংস্করণ ও বাংলাদেশের সময়ের মিল নিশ্চিত করুন।
দ্রুত যাচাইয়ের তালিকা
- প্রথমে পূজার দিন হিসেবে ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার নোট করুন।
- এরপর অমাবস্যা শুরুর সময় সকাল ১১টা ২৭ মিনিট হিসেবে লিখে রাখুন।
- নিশীথ পূজার সময়ের জন্য স্থানীয় পঞ্জিকা দেখুন।
- এছাড়াও মন্দির কর্তৃপক্ষের নির্ঘণ্টের সঙ্গে অনলাইন তথ্য তুলনা করুন।
- বাড়িতে পূজা হলে পুরোহিতের নির্দেশ অনুযায়ী আচার সাজান।
সাধারণ ভুল এবং করণীয়
সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো শুধু ইংরেজি তারিখ দেখে পূজার সময় ঠিক করা। কারণ কালী পূজার আচার অমাবস্যা ও নিশীথ কালের সঙ্গে যুক্ত, তাই তারিখের পাশাপাশি তিথির শুরু, শেষ এবং স্থানীয় সময় জানা দরকার। দ্বিতীয় ভুল হলো ভারতের সময়কে বাংলাদেশের সময় ধরে নেওয়া। সীমান্তের কাছাকাছি হলেও সময় অঞ্চল আলাদা হলে হিসাব বদলাতে পারে।
আরেকটি সমস্যা তৈরি হয় যখন কোনো পুরনো পঞ্জিকার সময়সূচি ২০২৬ সালের জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রতি বছর তিথির সময় পরিবর্তিত হয়। তাই ২০২৬ সালের জন্য প্রকাশিত পঞ্জিকা ব্যবহার করুন এবং কোনো মন্দিরের বিজ্ঞপ্তি থাকলে সেটিকে গুরুত্ব দিন। পূজার দিনের কয়েক সপ্তাহ আগে যাচাই করা তথ্য পরে আবার মিলিয়ে নেওয়াও ভালো, কারণ আয়োজকের কর্মসূচি পরিবর্তিত হতে পারে।
- শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে সময় চূড়ান্ত করবেন না।
- তাছাড়া অমাবস্যার শুরু ও শেষের সময় গুলিয়ে ফেলবেন না।
- নিশীথ পূজার সময়কে পুরো রাতের সময় ধরে নেবেন না।
- মন্দিরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মূল পূজার সময় আলাদা কি না জেনে নিন।
- আতশবাজি বা বৈদ্যুতিক সাজসজ্জার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নির্দেশ উপেক্ষা করবেন না।
জানার মতো প্রশ্নের উত্তর
২০২৬ সালে কালী পূজা কবে?
২০২৬ সালের কালী পূজা ৮ নভেম্বর, রবিবার পালিত হবে। এই দিনটি কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথির সঙ্গে যুক্ত।
অমাবস্যা তিথি কখন শুরু হবে?
দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী অমাবস্যা তিথি ৮ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে শুরু হবে।
অমাবস্যা তিথি কখন শেষ হবে?
প্রধান সময়সূচিতে অমাবস্যা ৯ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে স্থানীয় পঞ্জিকায় মিলিয়ে নিন।
নিশীথ পূজার সময় কত?
দেওয়া তথ্যের এক সংস্করণে রাত ১১টা ৩৯ মিনিট থেকে ১২টা ৩১ মিনিট এবং অন্যটিতে ১১টা ৫২ মিনিট থেকে ১২টা ৪৪ মিনিট বলা হয়েছে।
কালী পূজা কি দুর্গাপূজার মতো পাঁচ দিন চলে?
না। কালী পূজার মূল আরাধনা এক রাতকেন্দ্রিক। তবে প্রস্তুতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিসর্জন আগে-পরে কয়েক দিন চলতে পারে।
বাংলাদেশে কালী পূজা কোথায় বড়ভাবে হয়?
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা এবং বিভিন্ন হিন্দু-অধ্যুষিত এলাকায় মন্দির ও প্যান্ডেলে কালী পূজা আয়োজন করা হয়।
কোন সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত?
আপনার এলাকার পঞ্জিকা, পুরোহিতের নির্দেশ এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নির্ঘণ্ট মিলিয়ে যে সময় পাওয়া যায়, সেটিই অনুসরণ করুন।
৮ নভেম্বরের রাতের প্রস্তুতি
কালী পূজা 2026 তারিখ এবং সময় অনুযায়ী ৮ নভেম্বর রাতে মূল আয়োজন হবে। বাড়িতে পূজা করলে দিনের শুরুতেই ফুল, প্রদীপ, ধূপ, মিষ্টি ও অন্যান্য সামগ্রী প্রস্তুত করে রাখুন। মন্দিরে গেলে পূজার সময়, অঞ্জলি, প্রসাদ এবং বিসর্জনের আলাদা সূচি আগে জেনে নিন। রাতের অনুষ্ঠান হওয়ায় নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করাও পরিকল্পনার অংশ হওয়া উচিত।
মনে রাখার মতো বিষয় হলো, পঞ্জিকাভেদে সময়ের সামান্য পার্থক্য থাকলেও পূজার উদ্দেশ্য ভক্তি, আত্মশক্তি এবং অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধকে স্মরণ করা। নির্দিষ্ট মন্দির বা বাড়ির আচার ভিন্ন হতে পারে। তাই স্থানীয় ধর্মীয় রীতি সম্মান করে প্রস্তুতি নিন এবং চূড়ান্ত সময়ের জন্য নির্ভরযোগ্য পঞ্জিকা যাচাই করুন।
তথ্য যাচাই ও আপডেট: তিথির সময়, নিশীথ পূজার মুহূর্ত, বাংলা তারিখ এবং মন্দিরের কর্মসূচি পরিবর্তিত বা সংশোধিত হতে পারে। সর্বশেষ যাচাই: অক্টোবর ২০২৬। তাই প্রকাশের আগে স্থানীয় পঞ্জিকা ও মন্দির কর্তৃপক্ষের নির্ঘণ্ট মিলিয়ে নিন।




